Skip to content

ইন্টারনেট কি ? ইন্টারনেটের ইতিহাস এবং ব্যবহার – (Internet in Bengali)

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা জানবো, ইন্টারনেট কি বা ইন্টারনেট কাকে বলে? (What Is Internet In Bengali) ইন্টারনেটের ইতিহাস, ব্যবহার এবং ইন্টারনেটের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি?

ইন্টারনেট কি

What Is Internet In Bengali?

আধুনিক বিশ্ব ইন্টারনেটের বিশ্ব। ইন্টারনেট বিশ্বকে দিয়েছে যােগাযােগ ভাবনার নতুন পথ। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনাে প্রান্ত থেকে খুব সহজেই তথ্য আদান প্রদানের কাজটি করা যায়।

ইন্টারনেট কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। নেটওয়ার্কিং সিস্টেম হলাে একের সাথে বহুর মিলন অর্থাৎ এক কম্পিউটার থেকে হাজারাে কম্পিউটারে একই সময়ে একই সজো তথ্য আদান প্রদানের প্রক্রিয়া।

ইন্টারনেট কি ? (What Is Internet In Bengali)

ইন্টারনেট হলাে পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে থাকা সমস্ত কম্পিউটারের মধ্যকার এক জাল। এর মূল কাজ এক নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা কম্পিউটারগুলােকে অন্য সমস্ত নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা।

এভাবে সমস্ত নেটওয়ার্ক একত্র হয়ে যে সমন্বিত নেটওয়ার্ক সিস্টেম তৈরি হয়েছে তারই নাম ইন্টারনেট।

You may also like: তথ্যপ্রযুক্তি কি ? তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গুরুত্ব এবং ভবিষ্যত

সোজা ভাবে, ইন্টারনেট কাকে বলে ?

Internet এর ফুল ফর্ম হলো Interconnected Networks.

বর্তমান বিশ্বসভ্যতার মূল চালিকাশক্তি ইন্টারনেট। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রই এর দ্বারা প্রভাবিত। সকালবেলা চায়ের সঙ্গে অনলাইন নিউজের আপডেটটি আমাদের প্রয়ােজন হয়ে দাঁড়ায়। তথ্যই সম্পদ আর তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেট অদ্বিতীয়।

সে কারণে ইন্টারনেট আজ দৈনন্দিন যাপিত জীবনের অগ্রাধিকারের তালিকায় ওপরের দিকে থাকে। সব বয়সের মানুষ আজ ইন্টারনেটের সঙ্গে তাদের জীবনের ছন্দ মিলিয়ে চলে। সামাজিক যােগাযােগ এখন অনেকাংশে ইন্টারনেটনির্ভর। তাতে মানুষকে খানিকটা যান্ত্রিক মনে হলেও মানসিক বিনােদন সেখানে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে। পৃথিবী জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ৩০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

You may also like: ওয়েব পেজ কাকে বলে

ইন্টারনেটের ইতিহাস – (History of Internet)

আশা করি ইন্টারনেট কি এ বিষয়ে উপরে জানতে পেরেছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬৯ সালে তার সামরিক প্রয়ােজনে প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এই সিস্টেমটিকে কারিগরি সহায়তা দিয়েছিল ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারণে তা ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

১৯৮৪ সালে নেস্ফেনেট নাম নিয়ে সর্বসাধারণের জন্য ইন্টারনেট অবমুক্ত করা হয়। এতে শৃঙ্খলা আনার জন্য একটি স্থায়ী নেটওয়ার্ক গড়ে তােলেন প্রযুক্তিবিদরা। এই সিস্টেমটিই ইন্টারনেট নাম নিয়ে সমস্ত বিশ্বে প্রযুক্তির মশালকে বহন করে চলেছে।

ইন্টারনেটের ব্যবহার – (Uses of Internet)

১৯৯৩ সালের ১১ নভেম্বর অফলাইন প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুর হয়। তখন বিষয়টি শুধু ই মেইলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বিটিআরসির ল্যান্ডলাইনের মাধ্যমে ডায়ালআপ কানেকশন থেকে তখন ইন্টারনেট ব্যবহার করা হতাে।

১৯৯৬ সালের ৪ জুন বাংলাদেশে ভিএসএটি চালুর মাধ্যমে প্রথম অনলাইন ইন্টারনেট চালু করে আইএসএন। এরপর সাইবার নেট , ইউ অনলাইন, ব্রাক বিজিমেইল, প্রস্টোনেট, অগ্নি সিস্টেমসহ বর্তমানে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট সার্ভিস প্রােভাইডার হিসেবে কাজ করছে।

পাথরে পাথরে ঘষা লাগিয়ে মানুষ যেদিন প্রথম আগুন আবিষ্কার করেছিল, সেদিন থেকেই সভ্যতার প্রাচুর্যের সূত্রপাত হয়েছিল। একইভাবে তথ্যের পৃথিবীতে ইন্টারনেট মানুষকে তথ্যপ্রাচুর্যে পরিপূর্ণ করেছে। বাংলাদেশে এই উৎকর্ষ সাধিত হয়েছে মােবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযােগ প্রাপ্তিতে।

যেকোনাে সময় যেকোনাে স্থানে স্মার্টফোনের মাধ্যমে মানুষ এখন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়। এই প্রযুক্তি দিনকে দিন এত বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে, মােবাইল ফোনে কথা বলা আর ইন্টারনেটের ব্যবহার এখন প্রায় সমান সমান হয়ে এসেছে।

জিপিআরএস, জিপিএস প্রযুক্তি পেরিয়ে এখন মােবাইল ইন্টারনেট ফোরজি অর্থাৎ চতুর্থ প্রজন্ম প্রযুক্তিতে পৌঁছেছে। ইতােমধ্যে মােবাইল হ্যান্ডসেটগুলােতেও যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।

মােবাইল ফোনে কথা বলা ছাড়াও ইন্টারনেটের যাবতীয় কর্মকাণ্ড করা সম্ভব হচ্ছে। গ্রাহকের চাহিদাকে বিবেচনায় রেখে বিশ্ববিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন প্রতিষ্ঠান গুগল এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম প্রবর্তন করেছে।

মােবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর অধিকাংশই এখন এই অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে পরিচিত। এছাড়াও আইফোন, উইন্ডোজ ইত্যাদিরও রয়েছে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম।

You may also like: ইংরেজি শেখার সহজ উপায়

ইন্টারনেটের সুবিধা গুলো কি কি ?

ইন্টারনেটের ব্যবহারও যেমন বহুমুখী , তেমনি এর গুরুত্বও বহুমুখী। এখন ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করেই মানুষ তার নানাবিধ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজায়। শিক্ষা , স্বাস্থ্য , ব্যবসা , সামাজিকতাসহ প্রায় সবখানেই ইন্টারনেট অপরিহার্য।

ই এডুকেশন (E Education), ই কমার্স (E Commerce) ইন্টারনেটকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। তথ্য সংগ্রহে পৃথিবীর তাবৎ কর্মযােগীরা ইন্টারনেটকে আশ্রয় করেছে। ঘরে বসে শিক্ষা বা কেনাকাটা এখন নিত্যদিনের ব্যাপার।

দুরারােগ্য রােগ নিরাময়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা এখন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চমৎকার সব সমাধান দেন। তাতে মানুষের অর্থ ও সময় দুই ই সাশ্রয় হয়। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ছেলেমেয়েরা আজ ইন্টারনেটের মাধ্যমেই বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্কলারশিপগুলাে আয়ত্ত করে।

ইন্টারনেট এর ফলে পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ হবে আরও চৌকস ও বুদ্ধিমান। তাদের কাছে ইন্টারনেট হয়তাে আরও অনেক নতুন দিক খুলে দেবে।

ইতােমধ্যে অপটিক্যাল ফাইবার লেন সংযুক্ত হয়েছে। এর আওতায় পুরাে দেশ এলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে, খরচ কমবে। মানুষ তখন আরও প্রযুক্তিমুখী হবে। তবে প্রযুক্তিকে মানুষের সর্বময় কল্যাণে ব্যবহার করা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

You may also like: ইউনিক পাসওয়ার্ড কি

ইন্টারনেটের অসুবিধা: ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে

ইন্টারনেটের অসংখ্য ভালাে দিকের পাশাপাশি এর কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। ইন্টারনেটের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করে অনেকেই সময় নষ্ট করে। এছাড়াও কুরুচিপূর্ণ গান, ভিডিও ইত্যাদির কারণে বিপথগামী হচ্ছে তরুণদের একাংশ। অসাধু ব্যক্তিরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তাদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের জন্য।

Definition of Internet

ইন্টারনেট কি

Internet Internet is a modern international computer network. It is the most convenient and reliable and cheapest mode of communication. It is the computer based global information system. It is a speedy transmitting system of information with the help of computer and network. Its functions are smooth, easy and rapid. It plays an effective role in the field of trade and commerce. We can transfer file from one computer to another by using protocol. We can chat with others by using internet relay chat. By using e mail we can exchange information to one another. Educational institutions, offices, banks, trade and commerce are greatly benefited through the use of internet. It plays an effective role in the fields of trade and commerce.

Students can go through several books from the libraries without going there. It has also demerits. Deception, watching pornography, gambling, blackmailing are being increased through internet. Especially the young generation is greatly affected by internet. They watch obscene and violent movies, pornography. As a result, they are being engaged in bad thing, become desperate.

Conclusion

বিজ্ঞানের এ যুগে মানুষ প্রযুক্তিমুখী হয়ে তার কর্মদক্ষতাকে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি করছে। এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। তবে প্রযুক্তির এ দৌড়ে মানুষকে মানবিক হয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার সারতে হবে। তবেই ইন্টারনেট নামক প্রযুক্তির বিপ্লব পরিপূর্ণতা পাবে। বাস্তব রূপ লাভ করবে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন।

আশা‌ করি, ইন্টারনেট কি বা ইন্টারনেট কাকে বলে এ বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

Know more information about internet on wikipedia.

Leave a Reply

Your email address will not be published.