Skip to content

কম্পিউটার ভাইরাস কি ? এর লক্ষণ, প্রকার এবং ক্ষতি

কম্পিউটার ভাইরাস কি (What is Computer Virus in Bengali) ও এন্টিভাইরাস কি (What is Antivirus in Bengali) এই দুইটি বিষয়ে আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানবো।

কম্পিউটার ভাইরাস কি

About Computer Virus in Bengali.

এছাড়া কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস, কম্পিউটার ভাইরাস কে আবিষ্কার করেন, কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে, কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকারভেদ, কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়, কম্পিউটার ভাইরাস এর বৈশিষ্ট্য এবং কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায়গুলো সম্পর্কেও আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে।

তাহলে চলুন জেনে নিই কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে?

কম্পিউটার ভাইরাস কি? (What is Computer Virus in Bengali)

কম্পিউটার ভাইরাস” এই শব্দটি আমাদের সকলের নিকট অধিক পরিচিত। আমাদের সকলেরই কম্পিউটার ভাইরাসের বিষয়ে ধারণা রয়েছে। তবু আমাদের আইসিটি যন্ত্রের নিরাপত্তার কথাটি মাথায় রেখে এ বিষয়ে আরও জানা প্রয়োজন।

প্রাণীদেহে ভাইরাস আক্রমণের মতোই এ ভাইরাসগুলো আমাদের আইসিটি যন্ত্রের ক্ষতি করে থাকে।

VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Siege যার অর্থ দাঁড়ায় দখলে নেওয়া বা ক্ষতি সাধন করা।

কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে?

ভাইরাস হলো এক ধরনের অতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা পুনরুৎপাদনে সক্ষম এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারে।

অনেকে ভুলভাবে ভাইরাস বলতে সব ধরনের ম্যালওয়্যারকে বুঝিয়ে থাকে, যদিও অন্যান্য ম্যালওয়্যারের যেমন স্পাইওয়্যার বা এডওয়্যারের পুনরুৎপাদন ক্ষমতা নেই।

কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটার সিস্টেমের নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে। এর মধ্যে দৃশ্যমান ক্ষতি যেমন কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া, হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন রিবুট (Reboot) হওয়া ইত্যাদি।

তবে, বেশিরভাগ ভাইরাসই ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সিস্টেমের ক্ষতি করে থাকে। কিছু কিছু ভাইরাস সিস্টেমের ক্ষতি করে না, কেবল ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সিআইএইচ (CIH) নামে একটি সাড়াজাগানো ভাইরাস প্রতিবছর ২৬ এপ্রিল সক্রিয় হয়ে কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ফরম্যাট করে ফেলতো। বর্তমানে এটি নিস্ক্রিয় রয়েছে।

তাহলে বন্ধুরা কম্পিউটার ভাইরাস কি অথবা কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে এ বিষয়ে আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস – (History of Computer Virus)

কম্পিউটার ভাইরাস প্রোগ্রাম লেখার অনেক আগে ১৯৪৯ সালে কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ভন নিউম্যান এ বিষয়ে আলোকপাত করেন। তার স্ব – পুনরুৎপাদিত প্রোগ্রামের ধারণা থেকে ভাইরাস প্রোগ্রামের (তখন সেটিকে ভাইরাস বলা হতো না) আবির্ভাব।

পুনরুৎপাদনশীলতার জন্য এই ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে ভাইরাস হিসেবে প্রথম সম্বোধন করেন আমেরিকার কম্পিউটার বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক বি কোহেন।

জীবজগতে ভাইরাস পোষক দেহে নিজেই পুনরুৎপাদিত হতে পারে। ভাইরাস প্রোগ্রামও নিজের কপি তৈরি করতে পারে । সত্তর দশকেই , ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET) – এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।

সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্য হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।

১৯৮২ সালে এলক ক্লোনার (ELK CLONER) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে, ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানি দুই ভাই লাহোরে এই ভাইরাস সফটওয়্যারটি তৈরি করেন। এর পর থেকে প্রতিবছরই সারাবিশ্বে অসংখ্য ভাইরাসের সৃষ্টি হয়।

বিশ্বের ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • ব্রেইন
  • ভিয়েনা
  • জেরুজালেম
  • পিংপং
  • মাইকেল এঞ্জেলো
  • ডার্ক এভেঞ্জার
  • সিআইএইচ (চেরনোবিল)
  • অ্যানাকুর্নিকোভা
  • কোড রেড ওয়ার্ম
  • নিমডা
  • ডাপরোসি ওয়ার্ম ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস কে আবিষ্কার করেন?

১৯৮০ সালে নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক “University of New Haven” এর অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen)।

কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়?

ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে।

ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে সাধারণত সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে ও বিভিন্ন তথ্য – উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং এক পর্যায়ে গোটা কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

যেমন- বুট ভাইরাস ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রমণ করে।

কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকারভেদ

অতি পরিচিত কিছু ভাইরাস হলো স্টোন (Stone), ভিয়েনা (Vienna), সিআইএইচ (CIH), ফোল্ডার (Folder), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) ইত্যাদি।

ভাইরাসের প্রকারভেদ পুনরুৎপাদনের জন্য যেকোনো প্রোগ্রামকে অবশ্যই তার কোড চালাতে (execute) এবং মেমোরিতে লিখতে সক্ষম হতে হয়।

যেহেতু, জেনে – শুনে কোনো ভাইরাস প্রোগ্রাম চালাবে না , সেহেতু ভাইরাস তার উদ্দেশ্য পূরণে একটি সহজ পদ্ধতি বেছে নেয়।

যে সকল প্রোগ্রাম ব্যবহারকারী নিয়মিত চালিয়ে থাকেন (যেমন লেখালেখির সফটওয়্যার) সেগুলোর কার্যকরী ফাইলের পেছনে ভাইরাসটি নিজের কোডটি ঢুকিয়ে দেয়।

যখন কোনো ব্যবহারকারী ওই কার্যকরী ফাইলটি চালায় , তখন ভাইরাস প্রোগ্রামটিও সক্রিয় হয়ে উঠে।

কাজের ধরনের ভিত্তিতে ভাইরাসকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।

কোনো কোনো ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠার পর, অন্যান্য কোন কোন প্রোগ্রামকে সংক্রমণ করা যায় সেটি খুঁজে বের করে। তারপর সেগুলোকে সংক্রমণ করে এবং পরিশেষে মূল প্রোগ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ দিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এগুলোকে বলা হয় অনিবাসী ভাইরাস (Non – Resident Virus)।

অন্যদিকে, কোনো কোনো ভাইরাস সক্রিয় হওয়ার পর মেমোরিতে স্থায়ী হয়ে বসে থাকে। যখনই অন্য কোনো প্রোগ্রাম চালু হয় , তখনই সেটি সেই প্রোগ্রামকে সংক্রমিত করে। এ অঞ্জনার ভাইরাসকে বলা হয় নিবাসী ভাইরাস (Resident Virus)।

কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে?

কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে

কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে সংক্রমিত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।

সিডি, পেনড্রাইভ কিংবা অন্য যেকোনোভাবে ভাইরাসযুক্ত একটি ফাইল ভাইরাসমুক্ত কম্পিউটার বা কোনো আইসিটি যজ্ঞে চালালে ফাইলের সংক্রমিত ভাইরাস কম্পিউটার বা যন্ত্রটির মেমোরিতে অবস্থান নেয়। কাজ শেষ করে ফাইল বন্ধ করলেও সংক্রমিত ভাইরাসটি মেমোরিতে রয়েই যায়।

ফলে ডাইরাসমুক্ত কম্পিউটার বা আইসিটি যজ্ঞ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। একই অবস্থা ঘটে কোনো ভাইরাস সংক্রমিত প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার চালালেও। এভাবে মেমোরিতে স্থান দখলকারী ভাইরাস পরবর্তীতে অন্যান্য প্রোগ্রাম এবং ফাইলকেও আক্রমণ করে।

কোনো কোনো ভাইরাস তাৎক্ষণিকভাবে সকল প্রোগ্রাম ও ফাইলকে গ্রাস করে, আবার কোনো কোনো ভাইরাস শুধু নতুন প্রোগ্রাম ও ফাইলকেই আক্রান্ত করে।

ফাইল ও প্রোগ্রামসমূহ গ্রাস করতে করতে ভাইরাস তার ইচ্ছামতো কম্পিউটারের অভ্যন্তরে সার্বিক ক্ষতিসাধন শুরু করে। এভাবে একটি ভাইরাসমুক্ত কম্পিউটার ধীরে ধীরে ভাইরাসে সংক্রমিত হয় এবং উক্ত সংক্রমিত কম্পিউটারে ব্যবহৃত সিডি, হার্ডডিস্ক, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে ভাইরাসটি অন্যান্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।

তাহলে কম্পিউটার ভাইরাসের কাজ কি অথবা কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে এ বিষয়ে আশা করি আপনারা জানতে পেরেছেন।

এখন চলুন জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ কি কি?

কম্পিউটার ভাইরাসের লক্ষণসমূহ

  • প্রোগ্রাম ও ফাইল Open করতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে।
  • মেমোরি কম দেখাচ্ছে ফলে গতি কমে গেছে।
  • কৃম্পিউটার চালু অবস্থায় চলমান কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কিছু অপ্রত্যাশিত বার্তা প্রদর্শিত হচ্ছে।
  • নতন প্রোগ্রাম ইনস্টলের ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগছে।
  • চলমান কাজের ফাইলগুলো বেশি জায়গা দখল করছে।
  • যন্ত্র চালু করার সময় চালু হতে হতে বন্ধ বা শাট ডাউন হয়ে যাচ্ছে কিংবা কাজ করতে করতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা রিস্টার্ট হচ্ছে।
  • ফোল্ডারে বিদ্যমান ফাইলগুলোর নাম পরিবর্তন হয়ে গেছে ইত্যাদি।

ভাইরাস সাধারণত যা যা ক্ষতি করতে পারে

কম্পিউটার ভাইরাস যা যা ক্ষতি করে

  • কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোনো ফাইল মুছে দিতে পারে।
  • ডেটা বিকৃত বা Corrupt করে দিতে পারে।
  • কম্পিউটারে কাজ করার সময় আচমকা অবাঞ্ছিত বার্তা প্রদর্শন করতে পারে।
  • কম্পিউটার মনিটরের ডিসপ্লেকে বিকৃত বা Corrupt করে দিতে পারে।
  • সিস্টেমের কাজকে ধীরগতি সম্পন্ন করে দিতে পারে।

তাহলে এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমরা কী করতে পারি? এখানেই এন্টিভাইরাসের কথা এসে যায়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

এন্টিভাইরাস কি? (What is Antivirus in Bengali)

কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের উইিরাসের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস। সিস্টেম ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এটি নির্মূল করতে হয়।

ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি ব্যবহার করা হয়। এই ইউটিলিটিগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।

অতঃপর এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি তার পূর্বজ্ঞান ব্যবহার করে সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠক করে। একটি ভালো এন্টিভাইরাস সাধারণভাবে প্রায় সব ধরনের ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।

নতুন ভাইরাস আবিষ্কৃত হওয়ার সাথে সাথে এন্টিভাইরাস Update করলে এর শক্তি ও কার্যক্ষমতা প্রতিনিয়ত উন্নত হয়। ফলে নতুন নতুন ভাইরাস ধ্বংস করতে পারে।

বর্তমানে অনেক এন্টিভাইরাস রয়েছে যেগুলো ভাইরাস চিহ্নিত করে, নির্মূল করে এবং প্রতিহত করে। আজকাল প্রায় প্রত্যেক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার দেওয়া থাকে।

এছাড়াও এখনকার এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে। ফলে এগুলো পূর্বের এন্টিভাইরাসের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর।

এখানে একটি কথা অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে যে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবসময় হালনাগাদ (Update) রাখতে হবে।

ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামূল্যে ইন্টারনেট থেকে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে আইসিটি যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা অনেকাংশ নিশ্চিত করা যায়।

উল্লেখযোগ্য কিছু এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম হলো

  • এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (ডাউনলোড ওয়েবসাইট www.avg.com)
  • এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার (ডাউনলোড ওয়েবসাইট www.avira.com)
  • এভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (ডাউনলোড ওয়েবসাইট www.avast.com)

ইমেইল পাঠানোর নিয়ম

মোবাইল থেকে ইমেইলে ছবি পাঠানোর নিয়ম

কম্পিউটার বা আমাদের আইসিটি যন্ত্রগুলোকে ভাইরাসমুক্ত রেখে ব্যবহার করতে আমরা নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারি

  • অন্য যন্ত্রে ব্যবহৃত সিডি, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ইত্যাদি নিজের যন্ত্রে ব্যবহারের পূর্বে ভাইরাস মুক্ত করে নেয়া। (এন্টি ভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করে নেওয়া)
  • অন্য কম্পিউটার থেকে কপিকৃত সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ব্যবহারের আগে সফটওয়্যারটিকে ভাইরাস মুক্ত করা।
  • অন্য যন্ত্রের কোনো ফাইল নিজের যন্ত্রে ব্যবহারের পূর্বে ফাইলটিকে ভাইরাস মুক্ত করা।
  • ইন্টারনেট থেকে কোনো সফ্টওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ডাউনলোড করে ইনস্টল করার সময়ে সতর্ক থাকা। কারণ , ডাউনলোডকৃত সফটওয়্যারে ভাইরাস থাকলে তা থেকে তোমার কম্পিউটারটিও ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে।
  • অন্যান্য কম্পিউটারে বা যন্ত্রে ব্যবহৃত সফটওয়্যার কপি করে ব্যবহার না করা।
  • কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করলে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদর্শন করার জন্য এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারটিকে হালনাগাদ করে রাখা প্রয়োজন।
  • প্রতিদিনের ব্যবহৃত তথ্য বা ফাইলসমূহ আলাদা কোনো ডিস্ক বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা, তবে এক্ষেত্রে ডিস্ক বা পেনড্রাইভটি অবশ্যই ভাইরাস মুক্ত হতে হবে।
  • ই-মেইল আদান – প্রদানে সতর্কতা অবলম্বন করা। যেমন: সন্দেহজনক সোর্স থেকে আগত ই-মেইল open না করা। করলেও ভাইরাসমুক্ত করে তা খোলা উচিত।
  • গেম ফাইল ব্যবহারের আগে অবশ্যই ভাইরাস চেক করতে হবে।

সর্বশেষ

কম্পিউটার ভাইরাস কি (What is Computer Virus in Bengali) ও এন্টিভাইরাস কি (What is Antivirus in Bengali) এসব বিষয়ে আশা করি আজকের আর্টিকেলে আপনারা জানতে পেরেছেন।

সেই সাথে কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে, কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকারভেদ এবং কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো সম্পর্কে আপনারা ভালোভাবে জানতে পেরেছেন।

About Computer Virus in Bengali এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন। আর আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

অবশ্যই পড়ুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published.