Skip to content

সাধারণ প্রশ্ন-উত্তর

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং কি

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এর ইংরেজি কি ?

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এর ইংরেজি কি: আপনি যদি ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এর ইংরেজি meaning জানতে চাচ্ছেন, তাহলে এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের বলতে চলেছি।… Read More »ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এর ইংরেজি কি ?

আইটি জানো ( ITJANO ) কি

আইটি জানো ( ITJANO ) কি ? এটা কি ধরনের সাইট

আইটি জানো কি ? এটা কোন ধরনের ওয়েবসাইট ? এই সাইটের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য কি ? ITJANO কেন তৈরি করা হয়েছে এবং কে তৈরি করেছে এসব… Read More »আইটি জানো ( ITJANO ) কি ? এটা কি ধরনের সাইট

১ রিয়াল কত টাকা

১ রিয়াল কত টাকা ?

১ রিয়াল কত টাকা অথবা ১ রিয়াল সমান কত টাকা এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে। এমনিতে আজকাল প্রায় প্রত্যেকেই বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সাথে… Read More »১ রিয়াল কত টাকা ?

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত এবং কি কি রয়েছে ? (সম্পূর্ণ তথ্য)

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কি এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের লক্ষ্য, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কেন প্রতিষ্ঠিত হয়, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে… Read More »মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত এবং কি কি রয়েছে ? (সম্পূর্ণ তথ্য)

অর্থনীতি কাকে বলে ? What is Economics in Bengali

অর্থনীতি কি বা অর্থনীতি কাকে বলে (What is Economics in Bengali), অর্থনীতি শব্দের অর্থ কি এসব বিষয়ে আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানবো।

অর্থনীতি কাকে বলে

অর্থনীতি কি ? What is Economics ?

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উৎস। তবে শহরাঞ্চলের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিল্প ও বাণিজ্যের ভূমিকাও আমাদের অর্থনীতিতে ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

একটি আধুনিক রাষ্ট্রে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা বাণিজ্য কোনো খাতের গুরুত্ব অন্য খাত থেকে কম নয়। দেশকে উন্নত করতে হলে আমাদের জাতীয় অর্থনীতিকে সবল ও গতিশীল করে তুলতে হবে।

তার জন্য কৃষি, শিল্প, ব্যবসা বাণিজ্য সকলক্ষেত্রে আমাদের উন্নতি করতে হবে। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে এর কোনো বিকল্প নেই।

অর্থনীতি কাকে বলে বা অর্থনীতি কি ?

অর্থনীতি শব্দটি ইংরেজি “Economics” শব্দের প্রতিশব্দ। Economics শব্দটি গ্রিক শব্দ “Oikonomia” থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ গৃহস্থালী পরিচালনা।

অর্থনীতি হলো এমন একটি পরিবর্তনশীল সমাজ বিজ্ঞান, যা মানুষের অসীম অভাব এবং বিকল্প ব্যবহারযোগ্য সীমিত সম্পদের মাঝে সমন্বয় সাধন করে।

চলুন অর্থনীতির সাথে জড়িত বিষয় গুলো সম্পর্কে নিচে জেনে নিই।

বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলি

অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে এমন যে কোনো কাজ, সেবা বা বিনিময়কে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বলা হয়। আর যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

যে সব কাজের জন্য পূর্ব মজুরি নির্ধারিত নয়, করের আওতায় আনাও কঠিন এবং যে সব অর্থনৈতিক কার্যক্রম।

বাংলাদেশের অর্থনীতি সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত নয়, সংক্ষেপে অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম বলতে সেগুলোকেই বোঝায়।

যেমন নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি, দিনমজুরি প্রভৃতি। অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশের বেশির ভাগ অর্থনৈতিক কার্যক্রম এই অনানুষ্ঠানিক খাতের মাধ্যমেই হয়ে থাকে।

অতীতকাল থেকে চলে আসছে বলে অনেকে এসব কাজকে অর্থনীতির প্রধাগত খাতও বলে থাকেন।

গ্রামাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ

বিশ্বের অন্য যে কোনো উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও অনানুষ্ঠানিক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

গ্রামের একজন চাষি ও তার পরিবারের সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে কাজ করেন। নিজেদের জমিতে কাজ করার জন্য তারা কোনো মজুরি পান না বা নেন না।

কিন্তু তাদের সে কাজ বা পরিশ্রমের ফলে কেবল তাদের পরিবারই নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রও উপকৃত হচ্ছে। দেশের মোট খাদ্য চাহিদার বড় অংশটা তারাই উৎপাদন করছে। এভাবে আমাদের কৃষকরা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

কামার কুমোরের কাজ, গ্রামের কুটির শিল্প, দোকান ও অন্যান্য ছোটখাটো ব্যবসাও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের অন্তর্ভুক্ত।

আমাদের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এসব কাজও মূল্যবান ভূমিকা পালন করছে। সাম্প্রতিককাশে কৃষিসহ প্রামীণ অর্থনীতিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার লক্ষ করা গেলেও প্রথাগত বা অনানুষ্ঠানিক খাতটি এখনও প্রধান ভূমিকায় রয়েছে।

জাতীয় অর্থনীতির দিক থেকে বিবেচনা করলেও এই খাতটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

শহরাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ বাংলাদেশের শহরগুলোতে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও বিষহীন সকল শ্রেণির মানুষই বাস করে। বিভহীনদের মধ্যে অনেকে আবার ভাসমান বা অস্থায়ী। অর্থাৎ তাদের নিজস্ব বা স্থায়ী বাসাবাড়ি নেই।

তারা বস্তি, ফুটপাত, পার্ক, রেলস্টেশন ইত্যাদি স্থানে বাস করে। উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকেরা সাধারণত আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ যেমন সরকারি ও বেসরকারি চাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য ইত্যাদিতে নিয়োজিত।

নিম্নবিত্ত ও বিত্তহীনরা ছোটখাটো দোকান, ফুটপাতে হকারি, ফেরিওয়ালা, রিকশা বা ঠেলাগাড়ি চালক, মুটে, মিস্ত্রি, যোগানি, কিংবা বাসাবাড়ির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এগুলোকে শহর অঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ বলে গণ্য করা হয়।

অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক খাতের অবদান

গ্রামপ্রধান বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষ নিজস্ব উদ্যোগে ও প্রমে ধান, পাট, রবিশস্য, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদন, মাছ ধরা, গরু – ছাগল ও হাঁস – মুরগি পালন, কুটিরশিল্প, হাটবাজারে পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে তাদের জীবিকার সংস্থানই করছে।

শুধু তাই নয়, তারা দেশের অর্থনৈতিক জীবনকে সচল রাখার ক্ষেত্রেও প্রধান ভূমিকা পালন করছে। একইভাবে শহরাঞ্চলে বসবাসকারী স্বল্প ও মাঝারি এমন কি উচ্চ আয়ের অনেক মানুষও অনানুষ্ঠানিক খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে।

এভাবে প্রথম থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতি অনানুষ্ঠানিক খাতের উপর বেশি নির্ভরশীল।

সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক খাতের ভূমিকা বৃদ্ধি ও তা জোরদার হওয়ার পরও আমাদের অর্থনীতিতে প্রথাগত বা অনানুষ্ঠানিক খাতের গুরুত্ব কমেনি।

বাংলাদেশের শিল্প গার্মেন্টস কারখানা

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ হলেও ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানে কিছু কিছু শিল্প বা কলকারখানা গড়ে উঠতে থাকে। তার মধ্যে পাট, সুতা ও কাপড়ের কাই ছিল প্রধান।

পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ব – বাংলার নারায়ণগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত হয় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পাটকল আদমজি জুট মিলস্। পাকিস্তানি আমলে শিল্প বা কলকারখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলটি শাসকদের বৈষম্য বা বঞ্চনার শিকার হয়।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠতে শুরু করে। এক সময় আমাদের দেশের পাটশিল্পই ছিল এখান, সেই সঙ্গে ছিল চা, চিনি, সিমেন্ট, সার, চামড়া, রেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা।

বর্তমানে গার্মেন্টস ও ঔষধ শিল্পেও বাংলাদেশ বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। মূলধন, উৎপাদনের পরিমাণ, কর্মী বা শ্রমিকের সংখ্যা ইত্যাদি বিচারে শিল্প প্রতিষ্ঠানকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।

বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্প

পাট, বস্ত্র, চিনি, সিমেন্ট, সার, রেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিদ্যুৎ প্রভৃতি বৃহৎ শিল্প। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে মূলধন, দক্ষ শ্রমিক ও কারিগর, প্রকৌশলী, বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপকের প্রয়োজন হয়। এ শিল্পের উৎপাদন ক্ষমতাও অনেক বেশি।

দেশের চাহিদা মিটিয়েও উৎপাদিত সামন্ত্রীর একটা অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়। জাতীয় অর্থনীতিতে এ ধরনের বৃহৎ শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি এবং জাতীয় অর্থনীতিত শক্তিশালী হবে।

বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি

সাধারণত কোনো দেশই তার চাহিদার সমস্ত জিনিস নিজেরা উৎপাদন করতে পারে না। অন্য দেশ থেকে কিছু কিছু জিনিস তাকে আমদানি করতে হয়। একইভাবে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত পণ্যের একটা অংশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

যে দেশে যে সামগ্রী প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয় সাধারণত সেগুলোই বিদেশে রপ্তানি করা হয়। এভাবে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা যেমন বিদেশ থেকে পণ্য আমদানিতে ব্যয় করা যায় তেমনি দেশের উন্নয়নেও কাজে লাগে।

বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি এবং বিদেশে পণ্য রপ্তানি করার নামই বৈদেশিক বাণিজ্য।

যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আধুনিক বিশ্বে বৈদেশিক বাণিজ্যের সুযোগ অনেক বেড়েছে। কোনো দেশই আজ তার চাহিদার সমস্ত জিনিস নিজেরা উৎপাদন করার কথা ভাবে না। বরং দেশের অর্থনীতির কথা বিবেচনা করে যে পণ্যটা আমদানি বা যে পণ্যটি রপ্তানি করা সহজ ও লাভজনক, তাই করা হয়।

একটি পরিকল্পনা ও নীতির আওতায় কাজটা করা হয়। বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক চুক্তির আওতায় এই আমদানি – রপ্তানি অর্থাৎ বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আর এই বাণিজ্যিক কার্যক্রম তদারকি, নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য শুল্ক নির্ধারণ ইত্যাদি বিষয়গুলো দেখার জন্য রয়েছে কতগুলো আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা বা সংগঠন।

যেমন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organisation WTO), দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (South Asian Free Trade Area SAFTA) প্রভৃতি।

যে দেশের আমদানির চেয়ে রপ্তানির পরিমাণ বেশি তাকে উন্নত দেশ ধরা হয়।

বাংলাদেশের আমদানি পণ্যসামগ্রী বাংলাদেশ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়মিত যেসব পণ্য আমদানি করে সেগুলো হলো চাল, গম, ডাল, তৈলবীজ, তুলা, অপরিশোধিত পেট্রোল ও পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্য, ভোজ্যতেল, সার, কৃষি ও শিল্প যন্ত্রপাতি, সুতা প্রভৃতি।

আর যেসব দেশ থেকে এসব সামগ্রী আমদানি করা হয় তার মধ্যে রয়েছে চীন , ভারত , জাপান , সিঙ্গাপুর , দক্ষিণ কোরিয়া , মালয়েশিয়া , যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য , ফ্রান্স ও জার্মানি। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই এই আমদানি বাণিজ্য চলে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী গত ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে বাংলাদেশ বিদেশ থেকে ৩৪.০৮৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য সামগ্রী আমদানি করেছে।

২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে আমদানি ব্যয় হয়েছে মোট ৪০,৭৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০১৪-১৫ অর্থ বছরে আমদানি ব্যয় হয়েছে ৪০, ৭০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৪২.৯২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৪৭,০০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৫৬,০৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়েছে চীন থেকে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রী এক সময় পাট ও পাটজাত দ্রব্যই ছিল আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য।

পাট ও পাটজাত দ্রব্য যেমন – চটের ব্যাগ , কার্পেট প্রভৃতি রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করত। কিন্তু কিছু সময়ের জন্য সারা বিশ্বে পাট ও পাটজাত দ্রব্যের চাহিদা কমে যায়।

সম্প্রতি বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের দ্বারা পাটের জেনোম বা জন্মরহস্য আবিষ্কার এবং বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে আবারও পাট ও পাটজাত সামগ্রী রপ্তানিতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।

কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য দ্রব্য ছাড়া আরও যেসব পণ্য বাংলাদেশ বিদেশে রপ্তানি করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তৈরি পোশাক , হিমায়িত চিংড়ি , ঔষধ সামগ্রী , চা , চামড়াজাত দ্রব্য , রাসায়নিক সামগ্রী প্রভৃতি।

বাংলাদেশ থেকে যেসব দেশে পণ্য রপ্তানি করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো – যুক্তরাষ্ট্র , জার্মানি , যুক্তরাজ্য , ফ্রান্স , বেলজিয়াম , ইটালি , নেদারল্যান্ড , কানাডা , জাপান প্রভৃতি।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী , ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২৭,০২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার , ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে রপ্তানি আয় ছিল ৩৪,২৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার , ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৪,৬৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪০,৫৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর মধ্যে ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে রপ্তানি আয়ে শীর্ষে ছিল তৈরি পোশাক খাত। এ খাতে আয় হয়েছে ১১,০৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশের পণ্যের বড় ক্রেতা হলো যুক্তরাষ্ট্র।

আমদানি ও রপ্তানির গুরুত্ব

বাংলাদেশ বিদেশ থেকে প্রধানত সেসব পণ্যই আমদানি করে যা দেশের মানুষের খাদ্য ও অন্যান্য চাহিদা পূরণের জন্য দরকার । সময় মতো এসব পণ্য আমদানি না করতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই দেশে এসব পণ্যের চরম অভাব ও মূল্যবৃদ্ধি ঘটত।

আর তাতে দেশে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিত। পৃথিবীর কোনো দেশই তার চাহিদার সমস্ত সামগ্রী নিজ দেশে উৎপাদন করতে পারে না।

পরিকল্পিত বাণিজ্য বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নীতির আওতায় অন্য দেশ থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য সুবিধাজনক দামে আমদানি করে । বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বেশ কিছু পণ্য নিয়মিত বিদেশে রপ্তানি করছে। তা থেকে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে। এই বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতিকে সচলই রাখছে।

সর্বশেষ

তাহলে বন্ধুরা, অর্থনীতি কি বা অর্থনীতি কাকে বলে (What is Economics in Bengali) এ বিষয়ে আশা করি আজকের এই আর্টিকেলে জানতে পেরেছেন।

যদি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবশ্যই শেয়ার করবেন।

আর আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

অবশ্যই পড়ুন –

Read More »অর্থনীতি কাকে বলে ? What is Economics in Bengali

মাথাপিছু আয় কি

মাথাপিছু আয় কি ? বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত ?

মাথাপিছু আয় কি বা মাথাপিছু আয় কাকে বলে, মাথাপিছু আয়ের সূত্র কোনটি, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির উপায় এসব বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আমরা… Read More »মাথাপিছু আয় কি ? বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত ?

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ

২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস ?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কত তারিখ, ২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস, ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন এবং স্বাধীনতা দিবস নিয়ে কিছু কথা এসব বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে।

২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস

Why 26 March is the Independence Day of Bangladesh ?

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস একটি ঐতিহাসিক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। আমাদের জীবনে এ দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। এটি নর প্রত্যয় ও শপথ গ্রহণের দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

দেশকে স্বাধীন করার জন্য বাঙালি নিয়েছিল মৃগ্ধ শপদ। পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণের নাগপাশ থেকে নিজেদের মুক্ত করার জন্য এবং আপন পরিচয় খোঁজার লক্ষ্যে সেদিন বাঙালি গড়ে উঠেছিল। দীর্ঘদিনের শোষণ ও নিপীড়নের অবসান ঘটিয়ে সেদিন বাঙালি অর্জন করেছিল স্বাধীনতার সোনালি সূর্য।

তাহলে চলুন জেনে নিই ২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কবে (Bangladesh Independence Day)

বাংলাদেশের জন্য স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও আত্ম অহংকারের একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ এদেশের মানুষ পৃথিবীর বুঝে নতুন একটি মানচিত্রের সৃষ্টি করে।

বাঙালির মুক্তির সমস্ত আকাঙ্ক্ষা যেন সমন্বিত হয়েছিল সেদিন। সমস্ত জাতি যেন একই অঙ্গীকারে শপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে।

স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি: বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ

পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। পাকিস্তানিদের প্রকৃত চেহারা উপলব্ধি করে মানুষের মনে ধীরে ধীরে দানা বাঁধে স্বাধীনতার স্বপ্ন।

অবশেষে ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত হতে বলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি। হানাদার বাহিনী নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

মধ্যরাতের পর হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

গ্রেফতারের পূর্বেই, অর্থাৎ ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

তার ঘোষণাটি ছিল এরকম,

এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহবান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকেন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উতখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত রাখুন।

এরপর চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ২৬ ও ২৭ শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর নামে প্রচারিত হয় স্বাধীনতার ঘোষণা।

স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযুদ্ধ

স্বাধীনতা অর্জনে এদেশের মানুষ সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে এদেশের মানুষ প্রাণ দিয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে সম্ভ্রম হারিয়েছেন কয়েক লক্ষ মা বোন।

আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা পাকিস্তানিদের দোসর হিসেবে কাজ করেছে। এদেশের সর্বস্তরের মানুষ যখন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে, তখন দেশীয় এই রাজকারদের তৎপরতায় বহু মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছে, সম্ভ্রম হারিয়েছে, প্রাণ দিয়েছে।

বহু মুক্তিযোদ্ধাকে পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়েছে এই রাজাকার বাহিনী। দেশের অভ্যন্তরে সকল শত্রুদের বিনাশ করে স্বাধীনতা অর্জন করতেই একটি সামরিক পরিকল্পনা করে তৎকালীন (১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল মেহেরপুরের মুজিবনগরে গঠিত হয় অস্থায়ী সরকার) অস্থায়ী সরকার।

মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক নিযুক্ত হন কর্নেল এমএজি ওসমানী। অবশেষে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এদেশ স্বাধীন হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এ যুদ্ধের শেষের দিকে বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয় ভারতীয় মিত্রবাহিনী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য

আমাদের জন্য স্বাধীনতা দিবসের মূল তাৎপর্য হলো এটি আমাদের ত্যাগ ও তসংগ্রামের গৌরবময় একটি দিন। এদিন আমাদের আত্মপরিচয়ের গৌরবে উজ্জ্বল। এই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ পর বঞ্চিত নির্গীষ্ঠিত সাধারণ মানুষ মুক্তির নতুন দিশা অর্জন করেছিল।

স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে ইতিহাস রচিত হয়েছে তা এদেশের মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে যুগে যুগে প্রেরণা জোগাবে। তাই প্রতিবছর ২৬ শে মার্চ এলেই বাঙালি নতুন শপথ গ্রহণের মাধ্যমে উজ্জীবিত হয়।

স্বাধীনতার মূল অর্থ হলো অধীনতা থেকে মুক্তি, আত্মোন্নয়নের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে নিজেকে বিকশিত করার সুযোগ লাভ। প্রতিটি স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে এনে দেয় নতুন সম্ভাবনা।

আমরা নিজেদের ভেতরে স্বাধীনতার তাৎপর্যকে কতটা অনুভব করতে সমর্থ হচ্ছি তা মূল্যায়ন করি।

২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস

উপরের আলোচনার মাধ্যমে ২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস এ বিষয়ে আশা করি জানতে পেরেছেন।

স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল একটি শোষণমুক্ত ধর্মনিরপেক্ষ সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার রাষ্ট্র প্রবর্তন করা। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সবাইকে স্বনির্ভর করেছিল স্বাধীনতার স্বপ্ন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই লক্ষ্য নিয়েই দেশ গঠন শুরু করেছিলেন।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট সামরিক বাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্যের হাতে তিনি সপরিবারে নিহত হন। ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন একনায়ক সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে।

সমাজের প্রগতিই হলো স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য। তার জন্য প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোয় দৃপ্ত শপথ গ্রহণ। দেশের সর্বস্তরের মানুষের মেধা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তুলতে হবে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক।

প্রগতির পথে সমাজকে পরিচালিত করতে স্বাধীনতার মূল স্তম্ভগুলোকে লালন করতে হবে এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এ পথে সাময়িক ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হলেও তা ভবিষৎকালে স্বাধীনতার বৃহদার্থকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেবে।

২৬ শে মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কবে

২৬ শে মার্চ কি দিবস এটি এখন আমরা সকলেই জানি। কিন্তু ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন এ বিষয়ে এখন আমরা জানবো।

আমাদের দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালের ২২ শে জানুয়ারি প্রকাশিত এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে ২৬ শে মার্চকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করার ঘোষণা দেয়া হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

সর্বশেষ

তাহলে আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কবে, ২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস, স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য এসব বিষয়ে আশা করি জেনে নিতে পেরেছেন।

যদি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আর আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোন প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

Read More »২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস ?

সরকার কেন দেশের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে

সরকার কেন দেশের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে

সরকার কেন দেশের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে, বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের প্রধান খাত কোনটি, সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত কোনটি এবং বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের খাতসমূহ সম্পর্কে আজকের… Read More »সরকার কেন দেশের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে

বাজেট কি এবং কেন

বাজেট কি এবং কেন ? বাজেট কত প্রকার ও কি কি

অর্থনীতিতে বাজেট কি (What is Budget in Bengali), বাজেট কাকে বলে এবং কত প্রকার ও কি কি, সুষম বাজেট কি, অসম বাজেট কি, বাজেট কিভাবে… Read More »বাজেট কি এবং কেন ? বাজেট কত প্রকার ও কি কি

ইলুমিনাতি কি

ইলুমিনাতি কি ? ইলুমিনাতি কারা এবং এই সংগঠনের ইতিহাস

ইলুমিনাতি কি বা ইলুমিনাতি কাকে বলে, ইলুমিনাতি কারা/সদস্য, ইলুমিনাতি সাইন/চিহ্ন, ইলুমিনাতি লোগো কেমন এসব বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। এমনিতে বর্তমানে প্রত্যেকেই… Read More »ইলুমিনাতি কি ? ইলুমিনাতি কারা এবং এই সংগঠনের ইতিহাস