Skip to content

ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম | Fake NID Card Maker BD

ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম অথবা কিভাবে ফেক আইডি কার্ড বানাবেন এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আমি আলোচনা করতে চলেছি। (Fake NID Card Maker BD or Fake National ID Card Maker BD)

আইন অনুযায়ী ফেক আইডি কার্ড তৈরি করা অপরাধ। তবে ইন্টানেটের সাথে জড়িত কিছু অপশনাল (optional) কাজে ফেক আইডি কার্ড বানানোর প্রয়োজন হয় এবং যদি আমাদের নিজের আইডি কার্ড না থাকে, তাহলে আমরা সেই কাজ গুলো সম্পূর্ণ করার জন্য ফেক আইডি কার্ড বানিয়ে সাবমিট (submit) করতে পারি।

কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলোর কারণে আমাদের অবশ্যই ফেক আইডি কার্ড তৈরি করে নেওয়া অনেক জরুরি হয়ে যায়। তাই আপনারা অনেকেই Fake NID Card Maker BD লিখে গুগলে সার্চ করে থাকেন।

তাই আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের দেখাতে চলেছি কিভাবে নকল আইডি কার্ড তৈরি করতে হয়। এছাড়া সবশেষে ফেক আইডি কার্ড বানানোর উপকারিতা এবং অপকারিতা গুলোর বিষয়েও আমি সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে আপনাদের বলে দিব।

এমনিতে অনলাইনে ফেক আইডি কার্ড বানানোর প্রক্রিয়া অনেক সহজ আপনি মাত্র ৫ মিনিটেই অরিজিনাল আইডি কার্ডের মত দেখতে একটি নকল আইডি কার্ড তৈরি করে ফেলতে পারবেন এবং সেটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আপনি মোবাইল এবং কম্পিউটার যেকোন ডিভাইস দিয়ে একই নিয়মে Fake NID Card Maker Website এর মাধ্যমে নিজের ফেক এনআইডি কার্ড তৈরি করতে পারবেন।

আর এভাবে তৈরি করা আইডি কার্ড দিয়ে কোন কোন কাজ আপনি করতে পারবেন এবং কোন কোন কাজ করতে পারবেন না এসব বিষয়েও নিচে আমি আলোচনা করব।

তার আগে চলুন সংক্ষিপ্ত আকারে জেনে নিন কোন কোন কাজে আমাদের ফেক এনআইডি কার্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।

কেন ফেক আইডি কার্ড বানানোর প্রয়োজন হয়?

আমরা প্রতিদিন অনেক সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। ইন্টারনেটের সাথে সম্পর্কিত কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে আমাদের একটি নকল বা ফেক আইডি কার্ড তৈরি করার প্রয়োজন পড়ে।

এরকম একটি পরিচিত সমস্যা হল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাওয়া। যদি কোন কারণে আমাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হয়ে যায়, তাহলে সেই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা ফেসবুক আইডিটি ফিরে পাওয়ার জন্য NID Card সাবমিট করতে হয়।

যদি আমাদের এনআইডি কার্ড না থাকে তাহলে আমরা কি করব? আর যদি আইডি কার্ড থেকেও থাকে, তবুও যে সমস্যাটিতে পড়তে হয় সেটি হলো, আমরা প্রায় সময় নিজের নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না খুলে আমাদের পছন্দের অন্য স্টাইলিশ নাম ব্যবহার করে ফেসবুক একাউন্ট খুলে দেখি।

কিন্তু ফেসবুক আইডি ডিজেবল হলে যদি আমরা ফেসবুকে এনআইডি কার্ড সাবমিট করি তাহলে সেই ডিজেবল হয়ে যাওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম এবং আইডি কার্ডের নামের অবশ্যই মিল থাকতে হয়।

সে কারণে আমাদের ফেসবুক একাউন্টের নামের সাথে মিল রেখে একটি ফেক আইডি কার্ড তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে ডিজেবল হওয়ার আইডিটি রিকভার করার জন্য।

তাহলে কেন নকল আইডি কার্ড তৈরি করবেন এ বিষয়ে আশা করি জানতে পেরেছেন এখন আমরা ফেক আইডি কার্ড তৈরি করব Fake NID card maker website বা tool দিয়ে।

এখন চলুন জেনে নিই Fake NID Card Maker Tool কি?

Fake NID Card Maker Website বা Tool কি?

অনলাইনে ফেক আইডি কার্ড বানানোর জন্য অনেক ওয়েবসাইট এবং অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস রয়েছে এগুলো দিয়ে আপনি সম্পূর্ণ নকল তথ্য দিয়ে নিজের ইচ্ছামত একটি এনআইডি কার্ড খুব সহজেই বানিয়ে নিতে পারবেন।

এখানে আপনি নিজের ইচ্ছামত নাম ব্যবহার করতে পারবেন। সবশেষে যখন আপনার আইডি কার্ডটি তৈরি হয়ে যাবে তখন সেটি আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

তাহলে চলুন জেনে নেই কিভাবে ফেক আইডি কার্ড তৈরি করতে হয়?

ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম – (How to Make Fake NID Card)

আমি আগেই বলেছি নকল আইডি কার্ড বানানোর জন্য অনেক মোবাইল অ্যাপস এবং ওয়েবসাইট রয়েছে। আমি নিচে একটি ফেক এনআইডি কার্ড মেকার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নকল আইডি কার্ড তৈরি করার প্রক্রিয়া আপনাদের দেখিয়ে দিব।

স্টেপ ১:

প্রথমে আপনি নিজের লিংকে ক্লিক করুন।

zorexid.ml/id/nid-front

এরপর আপনি নিচের মত একটি ওয়েব পেজ দেখতে পারবেন।

ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম

এখানে আপনি নিজের ইচ্ছামত নিজের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ এবং signature দিতে পারবেন।

এরপর choose file অপশনটিতে ক্লিক করে আপনাকে একটি ছবি সিলেক্ট করতে হবে, যেটি আপনি এনআইডি কার্ডে ব্যবহার করতে চান।

এরপর নিচের ছোট বক্সটিতে টিক মার্ক দিতে হবে এখানে লেখা রয়েছে আমি কথা দিচ্ছি যে, কার্ডটি কেবলমাত্র আমার ইমারজেন্সি ফেসবুক আইডি রিকভার করার দরকার এই তৈরি করেছি এবং এটিকে কোন অসৎ কাজে ব্যবহার করব না। এটির যাবতীয় ব্যবহারের জন্য কেবল আমি দায়ী থাকবো।

Fake NID Card Maker BD

এরপর নিচে creat বাটনে ক্লিক করুন।

স্টেপ ২:

Creat বাটনে ক্লিক করার পর যে ওয়েব পেজটি আসবে এখানে আপনি আপনার নকল এনআইডি কার্ডটি দেখতে পারবেন এবং এটি ডাউনলোড করার জন্য নিচে Download ক্লিক করতে হবে।

How to make fake nid card

ডাউনলোড করার পর কার্ডটি এরকম দেখাবে।

তাহলে বন্ধুরা, কিভাবে ফেক এনআইডি কার্ড বানাতে হয় তা আমি এই আর্টিকেলে আপনাদের শিখিয়েছি। সেই সাথে এটি কোন কাজে ব্যবহার করতে হয় সেই বিষয়েও আপনাদের বলে দিয়েছি। এখন এর উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে জেনে নিন।

ফেক এনআইডি কার্ড বানানোর উপকারিতা – (Advantage of Fake NID Card)

ফেক এন আইডি কার্ডের উপকারিতা একটাই বলে আমি মনে করি সেটি হলো ডিজেবল হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রিকভার করা।

আপনার যদি নিজের এনআইডি কার্ড না থাকে এবং সম্পূর্ণ নিজের ডিটেলস দিয়ে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন এবং পরবর্তীতে অ্যাকাউন্ট কোন কারনে ডিজেবল হয়ে যায়, এরপর এর আইডি কার্ড সাবমিট করতে বলা হয় তাহলে আপনি পিতা, মাতা, ভাই, বোন অথবা অভিভাবকের আইডি কার্ড সাবমিট করে কখনোই একাউন্টটি রিকভার করতে পারবেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে ফেক এনআইডি কার্ড তৈরি করতে হবে।

ফেক এনআইডি কার্ড বানানোর অপকারিতা – (Disadvantage of Fake NID Card)

আপনারা জানেন ফেক এনআইডি কার্ড তৈরি করা একটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কোন প্রকারের আইনবিরোধী কাজ করার জন্য ফেক এনআইডি কার্ড বানাবেন না।

কারণ যে টুলগুলোর মাধ্যমে আমরা ফেক আইডি কার্ড তৈরি করে থাকি সেগুলোতে উপরে এই নোটিশটি দেওয়া থাকে যে, এই কার্ডগুলো কেবল ইমারজেন্সি সমস্যা তে সাধারণ মানুষের ফেসবুক আইডি রিকভার করার উদ্দেশ্যেই তৈরি এটিকে কোন অসৎ কাজে ব্যবহার করলে আমরা কখনো দায়ী থাকবো না।

তাই আমিও আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি এই কার্ডগুলো আপনি কোন ইলিগ্যাল বা অসৎ কাজে ব্যবহার করবেন না।

আপনার কিছু কাজের সুবিধার্থে আমি ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের অবগত করেছি। তাই আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটের নামে কোন আইনবিরোধী কাজ করে থাকেন তাহলে এর জন্য আমরা কোনভাবেই দায়ী থাকবো না।

আমার শেষ কথা

আশা করি ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে আপনারা জানতে পেরেছেন। এই আইডি কার্ড আপনি ফেসবুক একাউন্ট রিকভার করার কাজে অবশ্যই ব্যবহার করতে পারবেন।

যদি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন। আর আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করবেন।

1 thought on “ফেক আইডি কার্ড বানানোর নিয়ম | Fake NID Card Maker BD”

Leave a Reply

Your email address will not be published.